জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিকে ঐতিহাসিক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বলে অভিহিত করেছেন। উল্লেখ্য, এই চুক্তির সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও তুরস্কের যোগ দেয়ার রিপোর্ট আলোচনায় এসেছে। তবে তা চূড়ান্ত নয়। তিনি বলেন, এটি দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে সন্ত্রাসী সহিংসতার উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর সময়। জাতিসংঘ সদর দফতরে আরব নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একে দেখার জন্য বহু দশকের সহযোগিতা ও শক্তিশালী কৌশলগত মিত্রতার ধারাবাহিকতা ও দৃঢ়করণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্ব ‘ভাইয়ের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়ে কৌশলগত সমন্বয়’-এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এখন তা কংক্রিট আকারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাকিস্তান ও সৌদি আরব গত বছরের ১৭ই সেপ্টেম্বর একটি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এতে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় যে, এক দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অন্য দেশের প্রতি আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে, যা যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বহু দশকের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আনুষ্ঠানিক করে। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান-এর সঙ্গে আল-যামামা প্রাসাদে সাক্ষাৎ করেন।

